করোনা সম্পর্কিত এক নতুন তথ্য সামনে আনলেন একদল গবেষক
গোটাবিশ্বে করোনার থাবা অব্যাহত। মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ২, ৬৬,৭১৯। আক্রান্ত ৩৮,৬০,০৪৫জন। তবে আশঙ্কার মধ্যেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে মারণ ব্যাধির সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৩ লক্ষ ১৭হাজার ৯৩২জন।
মারণ এই ব্যাধি ঠেকাতে তৎপর গোটাবিশ্ব। তবুও অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। আর এই অবস্থায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত এক নতুন তথ্য সামনে আনলেন একদল গবেষক। লন্ডন ‘জেনেটিক ইন্সটিটিউট অফ ইউনিভার্সিটির’ একদল গবেষক গত বুধবার করোনাভাইরাস সম্পর্কিত এই নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে গোটাবিশ্বে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিলো করোনা ভাইরাস।
যা গত অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রথম চিনে উদয় হয়েছিলো। ওই গবেষকরা করোনাভাইরাস নিয়ে নানা তথ্য সমৃদ্ধ একটি জার্নাল প্রকাশ করেছেন। প্রকাশিত ওই জার্নালে তাঁরা দেখিয়েছেন, কীভাবে রূপ পরিবর্তন করছে করোনাভাইরাস। গবেষকগণ এই ভাইরাসের ২০০টি জেনেটিক পরিবর্তনও দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মারণ এই ব্যাধি কীভাবে অভিযোজিত হয়ে মানব শরীরে প্রবেশ করছে। গবেষকদের মধ্যে ফ্রানকোয়িস বুলেক্স নামে আরও এক বিজ্ঞানী তাঁর গবেষনা পত্রে উল্লেখ করেছেন, কীভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস এবং পরে কিভাবে সেটির জেনেটিক বিবর্তন ঘটে চলেছে।
বুলেক্স আরও জানিয়েছেন, নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষা এবং বিশ্লেষণের দেখা গিয়েছে এই ভাইরাসটি আর পাঁচটি ভাইরাসের মতোই পরিবর্তিত এবং এটি অভিযোজন ঘটায়। ফলে এই রোগে দ্রুত সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যা বর্তমানে গোটাবিশ্ব জুড়ে মহামারীর আকার ধারণ করেছে। লন্ডনের ওই গবেষকদল জানান, করোনা ভাইরাসও রুপান্তরিত।
শুধু তাই নয়, এটি স্বাভাবিক। তবে যতদিন না এই ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক বের হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত বোঝা যাবে না মারণ করোনা কতটা মারাত্মক। করোনাভাইরাস নিয়ে আরও একটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। ‘বিট্রেন ইউনিভার্সটি অফ গ্লাসগোর গবেষকরা দেখিয়েছেন করোনার প্রভাব এবং সংক্রামিত পদ্ধতি। তবে গত মার্চেই এক চিনা বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, করোনা সংক্রামিত হওয়ার দুইটি পদ্ধতি। তবে প্রথমটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক।
Post a Comment